Sunday, January 25, 2026

19>|| শ্রী শ্রী মা আদ্যা শক্তি||

     19>|| শ্রী শ্রী মা আদ্যা শক্তি||


শ্রী শ্রী মা আদ্যা শক্তি আপনি সমগ্র জগতের মূল কারণ। আপনি সত্ত্বাদি গুণময়ী হলেও রাগদ্বেষাদি দোষযুক্ত মানুষ আপনাকে জানতে পারে না। আপনি বিষ্ণু, শিব প্রমুখ দেবগণেরও অজ্ঞাত। ব্রহ্মা থেকে কীট পর্যন্ত এই অখিল বিশ্ব আপনার অংশভূত, কারণ আপনিই সকলের আশ্রয়স্বরূপা। আপনি ষড়বিকার-রহিতা পরমা আদ্যা প্রকৃতি।

-শ্রীশ্রীচণ্ডী, ৪।৭

=====================

Saturday, January 24, 2026

18>কামাড় পুকুর--to--> 7.3km জয়রামবাটি

 কামাড় পুকুর--to--> 7.3km জয়রামবাটি

---to-->6.7 km কোয়ালপাড়া--

 -to--->4.9 km কোতলপুর।

কোতল পুর to জয়রামবাটি 12km.


জয়রামবাটি পিন কোড:-722161


কোয়ালপাড়া আশ্রম যাকে সকলে বলতেন মা সারদার বৈঠক খানা জয়রামবাটি থেকে ৬ কিলো মিটার দূরে । মা যখন বিষ্ণুপুর হয়ে ট্রেনে কলকাতা যেতেন তখন যাওয়ার পথে এই কোয়ালপাড়া এসে থাকতেন । 

সুন্দর শান্তির নীড় এই কোয়ালপাড়া যোগাশ্রম । এখানে খুব বেশি ভক্তের ভিড় নেই।

আমরাএখানে  প্রসাদ পেয়েছিলাম । এখানে মাকে মৎসোভোগ দেওয়া হয় । আজকের মেনু ভাত, ডাল, আলুসিদ্ধ, আলু ভাজা, পাঁচ মিশালী তরকারি, মাছের মাথা দিয়ে বাঁধাকপি, আলু পোস্ত ও মাছের ঝোল ।

 মনে হলো যেন মায়ের হাতের বাড়ির রান্না খেলাম ।


==============

কোতুলপুর  সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক

পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর মহকুমার উন্নয়ন ব্লক,একটি প্রশাসনিক বিভাগ।

পিন কোড:--722141.


★★কোতুলপুরে

★ভাগলপুর গ্রামে কৃষ্ণ রায় জিউ মন্দির।


★কোতলপুরের গুরুত্বপূর্ণ নদী হল "আমোদর" ( দামোদর নয়)। এটি কনুচিয়াকল নামক স্থানের একটি ঝরনা থেকে উদ্ভূত। এই নদী কৃষিকাজ এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে। এটি প্রায় দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে। নদীটির কিছু ঐতিহাসিক গুরুত্বও রয়েছে। গড় মান্দারণ (কাছাকাছি একটি স্থান, বর্তমানে হুগলি জেলায় অবস্থিত এবং তখনকার রাজ্যের রাজধানী) এই নদী দ্বারা বেষ্টিত। মুঘল যুগে একটি যুদ্ধে কোটলু খান পরাজিত হন এই এলাকার ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে। এই কোটলু খানের নামেই কোতুলপুরের নামকরণ করা হয়েছে।


প্রায় সপ্তম শতাব্দী থেকে ব্রিটিশ শাসনের সূচনা পর্যন্ত, প্রায় এক হাজার বছর ধরে বাঁকুড়া জেলার ইতিহাস বিষ্ণুপুরের হিন্দু রাজাদের উত্থান ও পতনের সঙ্গে সম্পর্কিত। ১৭শ শতকের শেষের দিকে বিষ্ণুপুর রাজারা শিখরে পৌঁছালেও, ১৮শ শতকের প্রথমার্ধে তাদের পতন শুরু হয়। প্রথমে বর্ধমানের মহারাজা ফতেপুর মহল দখল করেন এবং পরবর্তীতে মারাঠাদের আক্রমণে এলাকা ধ্বংস হয়ে যায়।


১৭৬০ সালে বিষ্ণুপুরকে বর্ধমান চাকলার সঙ্গে ব্রিটিশদের কাছে সমর্পণ করা হয়। ১৭৮৭ সালে বিষ্ণুপুরকে বীরভূমের সঙ্গে যুক্ত করে একটি পৃথক প্রশাসনিক ইউনিট গঠন করা হয়। ১৭৯৩ সালে এটি বর্ধমান কালেক্টরেটে স্থানান্তরিত হয়। ১৮৭৯ সালে, বর্তমান জেলার আকার গঠিত হয় যখন খাতড়া এবং রাইপুর থানা এবং সিমলাপাল পোস্ট মানভূম থেকে বাঁকুড়ায় যুক্ত হয়। একইসঙ্গে সোনামুখী, কোতুলপুর এবং ইন্দাস থানাগুলি বর্ধমান থেকে বাঁকুড়ায় স্থানান্তরিত হয়। তবে এটি কিছু সময়ের জন্য পশ্চিম বর্ধমান নামে পরিচিত ছিল এবং ১৮৮১ সালে বাঁকুড়া জেলা নামে পরিচিতি পায়।


দর্শনীয় স্থান

★জয়রামবাটি - শ্রীরামকৃষ্ণের স্ত্রী সারদা দেবীর জন্য বিখ্যাত।

শ্রী শ্রী লক্ষ্মীনারায়ণ জিউ মন্দির, হরিহর জিউ মন্দির, শ্রী গণেশ জিউ মন্দির, শ্রী ভৈরব ঠাকুর জিউ মন্দির: এই মন্দিরগুলি ১৯০৭ সালের আশেপাশে প্রয়াত ক্ষেত্রমোহন রক্ষিতের উদ্যোগে নির্মিত হয় এবং বর্তমানে এগুলি শতাধিক বছরের পুরনো। প্রতিবছর এখানে ৩ দিনের ঝুলন যাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় মানুষজন এই উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। এই মন্দিরগুলি কোতুলপুরের রক্ষিতপাড়ায় অবস্থিত।


★কোয়ালপাড়া - সারদা দেবীর আরেকটি বাড়ি দেখার জন্য পর্যটকেরা ঘুরে বেড়ান। এখানে তিনি ব্রিটিশ শাসকদের বিরুদ্ধে স্বদেশী আন্দোলনকে উৎসাহিত করতেন।

সিহার - এখানে ২৬৭ বছরের পুরানো ডাঃ গুণময় মুখার্জীর পরিবারের শ্রী শ্রী রঘুনাথের একটি পঞ্চরত্ন মন্দির এবং ১৫০ বছরের পুরানো শ্রী শ্রী দূর্গা মন্দির, শ্রী শ্রী শান্তিনাথ মন্দির (মন্দিরের শিল্প জৈন যুগের), শ্রী শ্রী রতন্তী কালিকা মন্দির (শ্রীশ্রী রটন্তী কালিকা মন্দির) রয়েছে। শিবানন্দ সরস্বতী, শ্রী শ্যামানন্দ সরস্বতী) এবং শ্রী সারদা মঠ গ্রামকে দর্শনীয় পরিণত করেছে।

★কোতুলপুর - কোতুলপুর শ্রীধর মন্দির


======================




Thursday, September 4, 2025

17>দেবীর দশ অস্ত্র ও তার প্রতীক::---

 দেবীর দশ অস্ত্র ও তার প্রতীক::---


দেবীর দশ হাত এবং তার অস্ত্র আসলে বাস্তব জীবনের নানা প্রতীক! জেনে নিন তাদের অর্থ

দুর্গার হাতে থাকা ১০ অস্ত্রেই লুকনো আছে বাস্তব জীবনের কিছু অর্থ। আদতে এই অস্ত্রগুলি বিভিন্ন জিনিসের প্রতীক। জানেন সেগুলি কী?


 মা দুর্গা মানেই দশ হাতে একসাথে দশ দিক সামল দেওয়া দশ হাতে।

এই দশ হাতে দশ অস্ত্র যেন একসঙ্গে একাধিক কাজ করার প্রতীক।


দেবী দুর্গা শব্দটি শুনলেই দশ হাতে দশ রকমের অস্ত্র নিয়ে রণসাজে সুসজ্জিত এক দেবীর ছবি তথা প্রতিমার অবয়ব

 চোখের সামনে ভাসে। 


 দেবীর এ-হেন দশ হাত এবং তাতে থাকা দশ রকমের অস্ত্র আসলে এক একটি প্রতীক? এর সঙ্গে যোগ আছে বাস্তব জীবনের।


  ★1>চক্র::--->

দেবীর হাতে থাকা চক্র আদতে দৃঢ়তা এবং সংহতির প্রতীক। একই সঙ্গে এই চক্রের মাধ্যমে বোঝানো হয় সমস্ত সৃষ্টির কেন্দ্রে রয়েছেন স্বয়ং দেবী দুর্গা। বিষ্ণু তাঁকে এই অস্ত্র দিয়েছিলেন। 



★2>ত্রিশূল::-->

দেবাদিদেব মহাদেব তাঁর ত্রিশূল দেবী দুর্গাকে দিয়েছিলেন। ত্রিশূলের মাধ্যমে মানুষের ৩টি গুণকে বোঝানো হয় সত্ত্ব, তমঃ, রজঃ। এখানে সত্ত্ব মানে ধর্মজ্ঞান, তমঃ অথবা অন্ধকার দিক, এবং রজঃ মানে অহঙ্কার বোঝানো হয়েছে।


★3>শঙ্খ::-->

 শঙ্খের ধ্বনিতে ত্রিলোকে থাকা সমস্ত অশুভ শক্তি দূর হয় বলে মনে করা হয়। দুর্গাকে শঙ্খ দিয়েছিলেন বরুণদেব।



★4>বজ্র::--> ইন্দ্রদেব দুর্গাকে বজ্র দিয়েছিলেন, এর অর্থ সংকল্পের দৃঢ়তা। একই সঙ্গে সংহতির প্রতীকও বোঝানো হয় এর মাধ্যমে। 


★5>সাপ: পুরাণ মতে সর্প বা সাপকে শুদ্ধ চেতনার প্রতীক মনে করা হয়। নাগরাজ দেবীকে নাগপাশ দিয়েছিলেন। 


★6>গদা::--> দেবী দুর্গার হাতে থাকা গদা তাঁকে দিয়েছিলেন যমরাজ। এটিকে কালদণ্ডও বলা হয়ে থাকে। গদা আদতে আনুগত্য, ভালবাসার প্রতীক। 


★7>তীর-ধনুক::--> পবন দেব দুর্গাকে তীর ধনুক দিয়েছিলেন। এটি ইতিবাচক শক্তির প্রতীক।



★8>তলোয়ার::--> তলোয়ারের ধারকে বুদ্ধির প্রতীক বলে মনে করা হয়। এর মাধ্যমে বৈষম্যকে দূর করা হয়। গণেশ দেবী দুর্গাকে তলোয়ার দিয়েছিলেন।


★9>ঘণ্টা::--> শঙ্খের মতোই ঘণ্টা ধ্বনি সমস্ত অশুভকে বিনাশ করে বলে মনে করা হয়। ইন্দ্রের বাহন ঐরাবত দেবীকে এই অস্ত্র দিয়েছিলেন।


★10>পদ্ম::--> ব্রহ্মা দুর্গাকে পদ্মফুল দান করেছিলেন। পদ্ম আদতে জ্ঞান এবং আধ্যাত্মিক চেতনার বিকশিত হওয়ার প্রতীক। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)

========================


16>সাধনা চালিয়ে যাও, ব্যর্থ হলেও সাধনা করতে থাক।

 সাধনা চালিয়ে যাও, ব্যর্থ হলেও সাধনা করতে থাক।

রামগোপাল মহারাজ (প্রমেয়ানন্দজী) বলেছিলেন — সাধনা চালিয়ে যাও, ব্যর্থ হলেও সাধনা করতে থাক, উত্তর নিজে নিজেই পাবে, একদিন সাফল্য আসবেই। মহারাজ ছিলেন স্বামী বীরেশ্বরানন্দজী মহারাজের দীর্ঘকালের সেক্রেটারী। ভক্তদের নানারকম সাধনা-সমস্যায় প্রভু মহারাজ (বীরেশ্বরানন্দজী) কি কি উত্তর দিতেন তা রামগোপাল মহারাজ জানতেন। তাই তাঁর কাছে জানতে পারতাম সাধন জগতের অনেক কথা।


রামগোপাল মহারাজ বলতেন, স্বামীজী (বিবেকানন্দ) যে ধর্মের কথা বলেছেন সেটা esoteric নয়, রহস্যময়তা নয়, তার ধর্ম ছিল practical, ব্যবহারিক। কীভাবে বেঁচে থাকতে হয়, সেটা বোঝ, জীবনশৈলী অভ্যাস কর। যতক্ষণ তোমার অহংবোধ আছে ততক্ষণ জগৎ আছে। ধ্যানে এই জগতের গভীরে যাও, সূক্ষ্ম তত্ত্বকে ধর, নিজের প্রকৃত সত্তাকে জান। কিন্তু অন্য সময়ে অর্থাৎ চোখ খুলে কাজের সময়ে যেভাবে বেদান্তসাধনা করতে হয় তার কথা স্বামীজী বলেছেন ব্যবহারিক বেদান্তে। অভ্যাস কর সেটা। ধর্মের নামে অনেকেই কর্মকে এড়িয়ে গেছে, কর্মকে গৌণ করে দেখেছে। শঙ্করাচার্য যেখানে জোর দিয়েছেন "ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা"-র ওপর, স্বামীজী সেখানে জোর দিয়েছেন 'ঈশা বাস্যম্ ইদম্ সর্বম্'-এর ওপর। তাই তিনি লিখেছিলেন — 'বহুরূপে সম্মুখে তোমার ছাড়ি কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর?' ধ্যানে অনুভব কর ঈশ্বরের অব্যক্ত রূপকে, আর কর্মের মাধ্যমে অনুভব কর ঈশ্বরের ব্যক্ত রূপকে। চোখ বন্ধ করে যেমন মনকে শান্ত কর, তেমনি চোখ খুলেও মনে স্থিরতা আন। জীবনে এই স্থিরতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নাহলে ভেসে যাবে পরিবেশের প্রভাবে ও মনের আবেগে। জপ-ধ্যান খুবই প্রয়োজন মনের স্থিরতা আনতে। কিন্তু এই সঙ্গেই চোখ খুলে কাজের মাধ্যমে বিচার কর তোমার মনে কতটা স্থিরতা এসেছে। এই জগৎ ধর্মের পথে বাধা নয়, বরং নিজের বিকাশ ও মূল্যায়নের বড় সহায়ক।


রামগোপাল মহারাজের এই কথার গুরুত্ব বারবার অনুভব করেছি সাধুজীবনে। ধ্যানে মন শান্ত করা যতটা সহজ, আশ্রমের বাইরে কাজ করতে গিয়ে মন শান্ত রাখা ততটা সহজ নয়। প্রাকৃতিক পরিবেশ, নানান পরিস্থিতি, বিভিন্ন রকম মানুষ, কাজে সফলতা-ব্যর্থতা, এসব থাকেই। এসবের মধ্যে মন শান্ত রেখে কাজ করে যাওয়া, সব কিছুকে ব্রহ্মদৃষ্টিতে দেখা — এও কঠিন সাধনা। রামগোপাল মহারাজ বলেছিলেন: যখনই কোন কাজকে কঠিন মনে হবে তখন নিজের মনকে প্রশ্ন কর — কাজটা খুবই কঠিন, কিন্তু অসম্ভব কি? তোমার মন বলবে — না, কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। আসল কথা হল অভ্যাস করা দরকার। কতটা তুমি অভ্যাস করছ, বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কতটা প্রয়োগ করছ। ব্যর্থ হলেও নতুন উদ্যম নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছ কিনা, এটাই গুরুত্বপূর্ণ।


ধর্মকে পার্টটাইম করে রেখ না। সারাদিনে কেবল ২ বার জপ-ধ্যান করলাম, শনি-মঙ্গলবার মন্দিরে গেলাম, অমাবস্যায় গঙ্গাস্নান করলাম, আশ্রমে বা সর্বজনীন পূজায় চাঁদা দিলাম — শুধু এতেই আটকে থেক না। ধর্মকে ফুল্টাইম কাজ করে নাও, সামগ্রিক জীবনের জন্য। বাড়িতে-অফিসে-ক্লাবে-পাড়ায়-সমাজে সর্বত্র ধর্মের প্রয়োগ কর, সব জায়গায় সাধন কর। সব কাজকেই ধর্মীয় কাজ বলে গণ্য কর। সামগ্রিক জীবনকে নিয়েই ধর্ম।


সোমনাথ মহারাজ বলেছিলেন: কাজটা ধর্ম নয়, কিন্তু কাজকে ধর্ম করে নেওয়া যায়। পশু-পাখিও কাজ করে, গুন্ডা-চোরও কাজ করে। কিন্তু সেই কাজ ধর্ম নয়। ধর্মটা নির্ভর করে কর্মকর্তার চেতনার ওপর, মানসিকতার ওপর। তিনি কোন্ মানসিকতা নিয়ে কাজ করছেন? যে মানসিকতা নিজের 'ক্ষুদ্র আমি'র ওপরে উঠে 'বৃহৎ আমি'কে, 'মানবাত্মার আমি'কে বরণ করে সেই মানসিকতাই কোন কাজকে ধার্মিক কাজ করে তোলে। এ-রকম কথাই বলেছিলেন পাটনা আশ্রমের পরিতোষ মহারাজ — একটা কাজের মধ্য দিয়ে তোমার চেতনার বিকাশ হলে সেটা ধর্মীয় কাজ। বিহারে খরাত্রাণের সময়ে তাঁর কথা আজও মনে পড়ে। চোখ বন্ধ করে ধ্যান সহজ। বেশি সংগ্রাম করতে হয় চোখ খুলে বেদান্ত সাধনা করা। কর্মযোগ বেশ কঠিন। ... তাতে কি হয়েছে? কঠিন কাজ এক challenge। এটা করতে মজাও আছে।


         জয় মহামাঈকী জয় 

জয় ভগবান শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেব কী জয়

জয় স্বামীজি মহারাজজী কী জয় ||


             ( সংগৃহীত )

=========================


-

Sunday, August 24, 2025

15>|| প্রদীপ শিখা::

    15>||  প্রদীপ শিখা::---

ঠাকুর ঘরে বা যেকোন স্থানে প্রদীপ জ্বালাতে হলে দিক নির্দেশ বিশেষ জরুরি।


প্রদীপ শিখা কোন দিকে রাখবেন::---

উত্তরমুখী রাখলে::---->সম্পত্তি বৃদ্ধির 

          সহায়ক হয়।

পূর্বমুখী--->মানসিক সুখ শান্তি বৃদ্ধির 

            সহায়ক হয়।

পশ্চিমমুখী----->ধার দেনা তথা ঋণমুক্তির

             সহায়ক হয়।

দক্ষিণ মুখী----->মোটেই সুখকর নয়।

              অকল্যাণ কর হয়।

দুঃখ বেদনা অনিষ্টের কারণ হয়।

হিন্দু শাস্ত্র মতে দক্ষিণ মুখ করে কখনোই প্রদীপ জ্বালাতে নেই।

=========================


धार्मिक मान्यताओं के अनुसार शाम को

★ पूर्व दिशा की ओर दीपक का मुंह होना चाहिए। इससे आयु में वृद्धि होती है और साथ ही अकाल मृत्यु योग नष्ट हो जाता है। 

====..===......========

शाम को मुख्य द्वार पर दीया जलाने से माता लक्ष्मी की कृपा मिलते हैं।

शाम के समय घर के मुख्य द्वार पर दीया जलाने से माता लक्ष्मी की कृपा आप पर हमेशा बनी रहती है लेकिन शाम को दीया जलाते समय आपको कुछ विशेष नियमों का ध्यान जरूर रखना चाहिए। 

शाम के समय दीपक जलाने से न केवल नकारात्मक ऊर्जा घर से दूर रहती है बल्कि माता लक्ष्मी की भी विशेष कृपा मिलती है जिससे कि जीवन से आर्थिक तंगी दूर होती है। 

प्रदोष काल में दीपक जलाने को शुभ माना जाता है। प्रदोष काल सूर्यास्त के लगभग 30 मिनट पहले से सूर्यास्त के लगभग 30 मिनट बाद तक होता है। इस समय घर के मुख्य द्वार पर दीपक जलाना शुभ माना जाता है।

 शाम के समय मुख्य द्वार के पूर्व या उत्तर की दिशा में रखा शुभ होता है। 

वहीं, अगर आप पितरों के लिए दीपक जला रहे हैं, तो उसे दक्षिण दिशा में रखें। दक्षिण दिशा में दीपक पितरों के लिए रखा जाता है जबकि लक्ष्मी जी के लिए दीपक को हमेशा उत्तर दिशा में रखें।

दीपक के आसपास न रखें जूते-चप्पल

शाम के  अगर आप घर के मुख्य द्वार पर दीपक जलाते हैं, तो आपको इस बात का खास ख्याल रखना चाहिए कि दरवाजे पर जूते-चप्पल न रखे हों। ज्यादातर लोग घर के जूते-चप्पल बाहर मुख्य द्वार पर ही उतारते हैं लेकिन अगर आप मुख्य द्वार पर दीपक जलाते हैं, तो जूते-चप्पल वाली जगह पर दीपक रखना शुभ नहीं माना जाता।

दीपक को जलाने से पहले हर दिन साफ करें

आप मिट्टी का दीया जलाएं या फिर पीतल, तांबे का लेकिन आपको शाम के समय दीया जलाने से पहले हमेशा इसे साफ कर लेना चाहिए। याद रखें अगर किसी दीए पर कालिख जमा हो गई है, तो इस दीए को बदल दें या फिर अच्छी तरफ साफ करने के बाद ही जलाएं।

शाम को दीपक जलाने के बाद तुरंत दरवाजा बंद न करे।

आप अगर घर के मुख्य द्वार पर दीपक जलाते हैं, तो आपको दीपक जलाने के तुंरत बाद घर का दरवाजा बंद नहीं करना चाहिए। इससे घर में आने वाली सकारात्मक ऊर्जा बाहर ही रह जाती है, इसलिए दीपक जलाने के कुछ समय बाद तक आपको घर का मुख्य दरवाजा खुला ही रखना चाहिए।

★वास्तु शास्त्र के अनुसार उत्तर दिशा की ओर दीपक की लौ होना शुभ होता है। उत्तर दिशा में दीपक रखने से धन में वृद्धि होती है

===========================


Wednesday, May 28, 2025

14>মা দুর্গার নানান রূপ ও 108 নাম ::----

 

মা দুর্গার  নানান রূপ ও 108 নাম  ::----



দেবী দুর্গার বিভিন্ন রূপের পূজা প্রচলিত, বিশেষ করে নবরাত্রির সময়, এবং
12 মাসে বারো রূপে পুঁজিত হন মা দুর্গা।

নবরাত্রির সময় নয়টি রূপকে নবদুর্গা নামেও ডাকা হয়।
এর বাইরেও, দশমহাবিদ্যা নামে দেবী দুর্গার আরও দশটি রূপের পূজা হয়।
এই রূপগুলি প্রত্যেকটিকে আলাদা আলাদা সময়ে পূজা করা হয়।

★★নবদুর্গা:----
নবরাত্রির সময় এই নয়টি রূপে দেবী দুর্গার পূজা করা হয়। এই রূপগুলি হল - ●1>শৈলপুত্রী, ●2>ব্রহ্মচারিণী, ●3>চন্দ্রঘণ্টা, ●>4কুষ্মাণ্ডা,
●5>স্কন্দমাতা, ●6>কাত্যায়নী, ●7>কালরাত্রি, ●8>মহাগৌরী এবং ●9>সিদ্ধিদাত্রী.
===================
★★দশমহাবিদ্যা:-----
এই দশটি রূপ হলো -----
●1>কালী, ●2>তারা, ●3>ত্রিপুরা সুন্দরী, ●4>ভুবনেশ্বরী, ●5>ভৈরবী, ●6>চিন্নামস্তা, ●7>ধূমাবতী, ●8>বগালামুখী, ●9>মাতঙ্গী এবং ●10>কমলা.
অন্যান্য রূপ:
দেবী দুর্গার অনেক রূপের কথা প্রচলিত। যেমন, ★ভদ্রকালী, ★চণ্ডিকা ইত্যাদি.

এছাড়াও দেবীর
"বার মাসে বার রূপ" বলতে দেবী দুর্গার বিভিন্ন রূপের পূজা ও আরাধনা করা হয়।
====================

★★বারো মাসে মা দুর্গার বারো রূপে দেবীবরণ ও পূজা হয়।

●1> বৈশাখ মাস–এই মাসের আরাধ্যা দেবী হলেন গন্ধেশ্বরী।
বাংলা বছরের প্রথম মাস হল বৈশাখ। এই মাসের আরাধ্যা দেবী হলেন গন্ধেশ্বরী। এই দেবীর আরাধনা করেন মুলত গন্ধবণিকরা। কথিত আছে এই দেবীর আরাধনায় রমরমিয়ে বেড়েছেতাদের ব্যবসা। বেড়েছে গন্ধদ্রব্যের প্রাচুর্য।

●2> জ্যৈষ্ঠ মাস–এই মাসের আরাধ্যা দেবী হলেন ফলহারিণী।
জ্যৈষ্ঠ মাসে ফলহারিণী নামেই দেবী পূজিত হন। দেবীর এই রূপকে কর্মফল হরণকারিণী নামেও পরিচিত। এই দেবীর আরাধনার ফলেকর্মফল থেকে নিজেদের রক্ষা করা যায় বলে মনে করেছেন অনেকে।

●3> আষাড় মাস– এই মাসের আরাধ্যা দেবী হলেন "মা কামাক্ষ্যা" ।
অম্বুবাচী তিথিতেই মহাধুমধামের সঙ্গে পূজিত হন দেবী কামাক্ষ্যা। তিনিই হলেন উর্বরতার দেবী।

●4> শ্রাবণ মাস–দেবী শাকম্ভরী।
শ্রাবণ মাসে দেবী পূজিত হন শাকম্ভরী রূপে। অনেকে মনে করেন এই দেবীর কৃপাতেই মাঠঘাট ভরে ওঠে শাকসব্জিতে। যদিওআদিশক্তির এই রূপের পুজো এখন বিরল

●5> ভাদ্র মাস– দেবী পার্বতী।
এই মাসের আরাধ্যা দেবী হলেন দেবী পার্বতী। কথিত আছে এই মাসেই ঘটেছিল মহাদেব এবং পার্বতীর প্রথম মিলন।

●6> আশ্বিন মাস– দেবী দুর্গা।
এই মাসেই হয় বাঙালির শ্রেষ্ঠ উত্সব দুর্গাপূজা।রামায়ণে বর্ণিত অকালবোধনে রামচন্দ্র দেবী দুর্গার আরাধনা করেছিলেন । তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তি ঘটেছে দেবীর মূর্তিরও। এখন দেবী পূজিত হন মহিষাসুরমর্দিনী এবং চার সন্তানের জননী রূপে।

●7> কার্তিক মাস– দেবী জগদ্ধাত্রী।
এই মাসে আদিশক্তিপূজিত হন জগদ্ধাত্রী রূপে। কথিত আছে – একবার চার দেবতা ইন্দ্র, অগ্নি, বায়ু ও চন্দ্র খুব অহংকারী হয়ে উঠেছিলেন। তারা ভুলে গিয়েছিলেন মহাশক্তির শক্তিতেই তারা বলীয়ান। তখন দেবী জগদ্ধাত্রী রূপে তাদের সামনে উপস্থিত হয়েছিলেন। জগতের রক্ষাকারিণী দেবী হলেন দেবী জগদ্ধাত্রী।

●8> অগ্রহায়ণ মাস–দেবী কাত্যায়নী।
অগ্রহায়ণ মাসে কাত্যায়নী দেবীর পুজো হয়ে থাকে। এইদেবীকে বিবাহ এবং সন্তানকামনা পূরণকারিনী দেবী। পুরাণ অনুযায়ী, ব্রজের গোপিণীরা কৃষ্ণকে স্বামীরূপে পাওয়ার ইচ্ছায় এই দেবীর পুজো করতেন মাঘ মাসে। কিন্তু বাংলার নবদ্বীপের রাসযাত্রায় অগ্রহায়ণ মাসেই কাত্যায়নী দেবীর পুজোর প্রচলন আছে।

●9> পৌষ মাস– দেবী পৌষকালী।
এই মাসে পৌষকালীর আরাধনা করা হয়ে থাকে। আদিশক্তির এই রূপকে বলা হয় মোক্ষদানকারিণী। পৌষকালীর পুজোয় দেবীকে পৌষ মাসের অন্যতম সবজি মুলো নিবেদন করা হয়ে থাকে।

●10> মাঘ মাস– দেবী রটন্তীকালী।
এ মাসেও দেবী কালীর আরাধনা করা হয়। মাঘ মাসের কৃষ্ণ চতুর্দশীতে রটন্তীকালীর পুজো করা হয়। দেবীর এই রূপকে গৃহশক্তির রক্ষাকারিণীও বলা হয়ে থাকে। দেবীর আরাধনায় সাংসারিক জীবন সুখের হয় বলেই মনে করেন অনেকে।

●11> ফাল্গুন মাস–দেবী সঙ্কটনাশিনী।
আদিশক্তি এইমাসে সঙ্কটনাশিনী রূপে পূজিত হন। জীবনসঙ্কট , রোগব্যধি এবং অন্যান্য বিপদ থেকে উদ্ধারের জন্য এই দেবীর আরাধনা করাহয়।

●12> চৈত্র মাস– দেবী বাসন্তী বা দেবীঅন্নপূর্ণা।
এই মাসে ধরিত্রীকে শস্যপূর্ণ করতে দেবী বাসন্তীর আরাধনা করা হয়। অনেকে চৈত্র মাসে আরাধ্যা দেবীকে অন্নপূর্ণা রূপেও পুজো করে থাকেন।
===========================

★দেবী দুর্গার108 নাম মাহাত্ম্য (সংক্ষেপে)লিখতেহবে।

দেবী দুর্গা হলেন বিশ্বজগতের মা।
জনপ্রিয় জগৎ জননী দেবী, দুর্গার অনেক অবতার  রয়েছে: কালী, ভগবতী, ভবানী, অম্বিকা, ললিতা, গৌরী, কন্দলিনী, জাভা, রাজেশ্বরী এবং আরও অনেক কিছু। এই সকল দেবীই বিভিন্ন রূপে আবির্ভূত হতে পারেন।

দুর্গা যখন নিজের রূপে আবির্ভূত হন, তখন তিনি  নয়টি পদের একটি রূপে আবির্ভূত হন । তারা হলেন ●1>স্কন্দমাতা, ●2>কুসুমন্দা, ●3>শৈলপুত্রী, ●4>কালরাত্রি, ●5>ব্রহ্মচারিণী, ●6>মহাগৌরী, ●7>কাত্যায়নী, ●8>চন্দ্রঘন্টা এবং ●9>সিদ্ধিদাত্রী।

দুর্গার ১০৮টি নাম তাঁর জটিল প্রকৃতির প্রমাণ হিসেবে কাজ করে, যা তাঁর অসংখ্য গুণাবলী, রূপ ও ঐতিহ্যের বর্ননা করে এবং ১০৮ সংখ্যার আধ্যাত্মিক তাৎপর্য তুলে ধরে। দুর্গার প্রতিটি নাম তাঁর ঐশ্বরিক প্রকৃতি, গুণাবলী এবং কর্মের একটি ভিন্ন দিককে ধারণ করে।

দুর্গার ১০৮টি নামের ইতিহাস::---
ভগবান শিব দেবী দুর্গার প্রতি তাঁর ভক্তি প্রকাশের জন্য এবং তাঁকে খুশি করার জন্য তাঁর ১০৮টি নাম বলেছিলেন ।

এই নামগুলি পুরাণে পাওয়া যায়, যা পবিত্র হিন্দু সাহিত্যের একটি বিশাল সংগ্রহ, যাকে বলা হয় ​দেবী মাহাত্ম্যম বা দেবীমাহাত্ম্যম ( দেবীর মহিমা ), যা দেবী দুর্গার যুদ্ধ এবং রাক্ষস রাজা মহিষাসুরের উপর শেষ পর্যন্ত বিজয়ের গল্প বর্ণনা
করে।
প্রাচীন ভারতীয় ঋষি মার্কণ্ডেয় কর্তৃক সংস্কৃত ভাষায় প্রায় ৪০০-৫০০ খ্রিস্টাব্দে রচিত, এই হিন্দু ধর্মগ্রন্থটি দুর্গা সপ্তশত বা কেবল চণ্ডী নামেও পরিচিত ।

নবরাত্রী এবং দুর্গাপূজার উৎসবে , ভক্তরা দেবীর ১০৮টি নামে প্রার্থনা করেন।

দেবী দুর্গার ১০৮ টি নাম
( ১) সতী,=="সতী" দক্ষের কন্যা ও 
                  শিবপত্নী ,পতিব্রতা নারী।
( ২) সাধ্বী=তপস্বী,পবিত্র নারী।
( ৩) ভবপ্রীতা=অনুভূতির দীপ্তি
( ৪) ভবানী==জীবনদাতা', 'প্রকৃতির শক্তি'
                     বা সৃজনশীল শক্তির উৎস'

( ৫)ভবমোচনী,

( ৬) আর্য্যা,=দেবী
( ৭) দুর্গা,
( ৮) জয়া,

( ৯)আদ্যা =আদিম বাস্তবতা।

( ১০) ত্রিনেত্রা,
( ১১) শূলধারিণী,
( ১২)পিনাকধারিণী,
( ১৩ ) চিত্রা,
( ১৪) চন্দ্রঘণ্টা,
( ১৫)মহাতপা,
( ১৬ ) মনঃ,
( ১৭) বুদ্ধি,

( ১৮ ) অহঙ্কার==যিনি গর্বে পূর্ন।

( ১৯)চিত্তরূপা,
( ২০ ) চিতা,
( ২১ ) চিতি,
( ২২)সর্বমন্ত্রময়ী,
( ২৩ ) নিত্যা,
( ২৪) সত্যানন্দস্বরূপিণী,
( ২৫) অনন্তা==অসীম অপরিমেয়।
( ২৬) ভাবিনী==বিশ্বজগতের মাতা।

( ২৭) ভাব্যা=
( ২৮) ভব্যা

( ২৯) অভব্যা,=ভয়ঙ্করী।

( ৩০) সদাগতি,
( ৩১ ) শাম্ভবী,
( ৩২)দেবমাতা,
( ৩৩ ) চিন্তা,
( ৩৪ ) রত্নপ্রিয়া,
( ৩৫)সর্ববিদ্যা,
( ৩৬ ) দক্ষকন্যা,
( ৩৭)দক্ষযজ্ঞবিনাশিনী,

( ৩৮ ) অপর্ণা==জযিনি উপবাসের সময় পাতাও খাওয়া থেকে বিরত থাকেন।

( ৩৯)অনেকবর্ণা==যার একাধিক বর্ণ
                             আছে।
( ৪০) পাটলা,
( ৪১ ) পাটলাবতী,
( ৪২)পট্টাম্বরপরিধানা,
( ৪৩) কলমঞ্জীররঞ্জিনী,
( ৪৪)অমেয়বিক্রমা,
( ৪৫ ) ক্রূরা,
( ৪৬ ) সুন্দরী,
( ৪৭)সুরসুন্দরী,
( ৪৮ ) বনদুর্গা,
( ৪৯ ) মাতঙ্গী,
( ৫০)মতঙ্গমুনিপূজিতা,
( ৫১ ) ব্রাহ্মী,
( ৫২) মাহেশ্বরী,

( ৫৩) ঐন্দ্রী,=যিনি ইন্দ্রকে শক্তি দেন।

( ৫৪) কৌমারী,
( ৫৫) বৈষ্ণবী,
( ৫৬)চামুণ্ডা,
( ৫৭ ) বারাহী,
( ৫৮ ) লক্ষ্মী,
( ৫৯)পুরুষাকৃতি,
( ৬০ ) বিমলা,
( ৬১ ) উৎকর্ষিণী,
( ৬২)জ্ঞানা,
( ৬৩ ) ক্রিয়া,
( ৬৪ ) সত্যা,
( ৬৫ ) বুদ্ধিদা,

( ৬৬)বহুলা== যার বিভিন্ন রূপ ও প্রকাশ
                       রয়েছে।
( ৬৭ ) বহুলপ্রেমা==যিনি সকলের প্রিয়।

( ৬৮) সর্ববাহনবাহনা,
( ৬৯)নিশুম্ভনিশুম্ভহননী,
( ৭০ ) মহিষাসুরমর্দিনী,
( ৭১)মধুকৈটভহন্ত্রী,
( ৭২) চণ্ডমুণ্ডবিনাশিনী,
( ৭৩)সর্বাসুরবিনাশা,
( ৭৪ ) সর্বদানবঘাতিনী,
( ৭৫)সর্বশাস্ত্রময়ী,
( ৭৬) সত্যা,
( ৭৭ ) সর্বাস্ত্রধারিণী,

( ৭৮) অনেকশস্ত্রহস্তা==যিনি অনেক অস্ত্র
                                  ধারণ করেন।

( ৭৯) অনেকাস্ত্রধারিণী,
( ৮০) কুমারী,
( ৮১ ) কন্যা,
( ৮২) কৈশোরী,
( ৮৩) যুবতী
( ৮৪) যতি,

( ৮৫ ) অপ্রৌঢ়া==যিনি কখনও বৃদ্ধ
                            হয়না।

( ৮৬ ) প্রৌঢ়া,
( ৮৭)বৃদ্ধমাতা,
( ৮৮) বলপ্রদা,
( ৮৯ ) মহোদরী,
( ৯০)মুক্তকেশী,
( ৯১) ঘোররূপা,
( ৯২ ) মহাবলা,
( ৯৩)অগ্নিজ্বালা==যিনি আগুন ছড়াতে
                                সক্ষম
( ৯৪ ) রৌদ্রমুখী,
( ৯৫) কালরাত্রি,
( ৯৬) তপস্বিনী,
( ৯৭ ) নারায়ণী,
( ৯৮ ) ভদ্রকালী,
( ৯৯)বিষ্ণুমায়া,
( ১০০ ) জলোদরী,
( ১০১ ) শিবদূতী,
( ১০২ )করালী,
★( ১০৩ ) অনন্তা,
( ১০৪ ) পরমেশ্বরী,
( ১০৫ )কাত্যায়নী,
( ১০৬ ) সাবিত্রী,
( ১০৭ ) প্রত্যক্ষা এবং
( ১০৮ ) ব্রহ্মবাদিনী।
(জয় মা দূর্গা)
=========================

Tuesday, May 6, 2025

13>|| রটন্তী কালী পূজা ||

            13>|| রটন্তী কালী পূজা ||

                       <---আদ্যনাথ--->


ভক্ত বাঞ্ছা কল্পতরু, 

জয় শ্রী রাধা কৃষ্ণ নাম শরনম।

হরে মুরারে শ্রীকৃষ্ণ নাম শরনম কেবলম।


      শ্রী শ্রী রটন্তী কালী পূজা


সমস্ত কালীপুজো অমাবস্যা তিথিতে হলেও রটন্তী কালীপুজো চতুর্দশী তিথিতে হওয়ার পিছনে একটা পৌরাণিক গল্প রয়েছে। ‘রটন্তী’ শব্দের মধ্যে রয়েছে ‘রটে’ যাওয়া কথাটি। রটে যাওয়া অর্থাৎ মুখে মুখে প্রচারিত হওয়া। কিন্তু কি রটেছিল সেটা জানতে আমাদের ফিরে যেতে হবে রাধা কৃষ্ণের প্রেমের কাহিনীতে।


কথিত আছে, শ্রীকৃষ্ণের বাঁশি যখন বেজে ওঠে শ্রীরাধা আর সংসারে মন দিতে পারেন না। সংসার-লোকলাজ সবকিছু ত্যাগ করে তিনি ছুটে যান শ্রীকৃষ্ণের কাছে। শ্রীরাধার শাশুড়ি এবং ননদ জটিলা এবং কুটিলা তাঁরা এই ঘটনার সাক্ষী থেকেছেন বহুবার কিন্তু কখনই শ্রীরাধার স্বামী আয়ান ঘোষ কে তা বিশ্বাস করাতে পারেননি। মাঘ মাসের ঠান্ডা তার ওপর কৃষ্ণাচতুর্দশী হওয়ায় রাতটি ছিল ঘুটঘুটে অন্ধকার। এমন সময়ে কৃষ্ণের বাঁশি বেজে ওঠে আর সেই বাঁশির আওয়াজ শুনে শ্রীরাধিকা বাড়ি ছাড়েন। হাতেনাতে ধরার জন্য তাঁর পিছু নেন জটিলা-কুটিলা। তাঁরা কুঞ্জবনে শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে শ্রীরাধার মিলিত হওয়ার দৃশ্য চাক্ষুষ করে দ্রুত বাড়ি ফিরে আয়ান ঘোষকে টানতে টানতে নিয়ে যান কুঞ্জবনে। উদ্দেশ্য আয়ানকে বিশ্বাস করাতেই হবে শ্রীরাধিকার এই গোপন প্রেমের কাহিনী। আয়ান ঘোষ ছিলেন শক্তির উপাসক, কালীর পূজারী। এদিকে শ্রীরাধিকা ভয় পেয়েছেন, কী করবেন তিনি? এবার শ্রীকৃষ্ণ তাঁকে আশ্বস্ত করলেন। আয়ান ঘোষ কুঞ্জবনে পৌঁছে দেখলেন তাঁর আরাধ্যা মা কালী গাছের তলায় বসে রয়েছেন আর নিজের কোলে তাঁর পা টি রেখে সেবা করছেন শ্রীরাধিকা। দেখে আপ্লুত হলেন আয়ান। তাঁর সাক্ষাৎ কালী দর্শন হল।


তিনি স্বচক্ষে দেখলেন যে কালীর সাধনা তিনি এতদিন ধরে করে এসেছেন, কী অনায়াসে শ্রীরাধিকা তাঁর পদসেবা করছেন। আর এই বার্তায় আয়ান ঘোষ এবার ছড়িয়ে দিলেন দিকে দিকে। এই কথাটাই রটে গেল যে তিনি কালীর দর্শন পেয়েছেন। শ্রীকৃষ্ণও এর মাধ্যমে বুঝিয়ে দিলেন কৃষ্ণ এবং কালী অভেদ। মাঘ মাসের কৃষ্ণ চতুর্দশী তিথিতে কালীর দর্শন পাওয়ায় ওইদিন বিশেষভাবে কালীপুজোর প্রচলন হল। আর তার নাম হল রটন্তী কালীপুজো।


শাক্তদের এই বিশেষ দিন শ্রীকৃষ্ণের জীবনের সঙ্গে জুড়ে যাওয়ায় বৈষ্ণবদের কাছেও এটি একটি বিশেষ দিন। আবার এই চতুর্দশী তিথিটি জুড়ে রয়েছে মহাদেবের সঙ্গে। তাই শৈবদের কাছেও এটি একটি বিশেষ দিন। দক্ষিণেশ্বর মন্দিরেও একইসঙ্গে পুজো হচ্ছে মা ভবতারিণী, রাধাকৃষ্ণ এবং মহাদেবের। 


       জয় মা জয় তারা

জয় মা ভবতারিণী। জয় মা, জয় মা।

   নমঃ শ্রী রামকৃষ্ণ দেবয়ঃ নমঃ

                  ( সংগ্রহীত)

      <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

==========================