Sunday, January 25, 2026

19>|| শ্রী শ্রী মা আদ্যা শক্তি||

     19>|| শ্রী শ্রী মা আদ্যা শক্তি||


শ্রী শ্রী মা আদ্যা শক্তি আপনি সমগ্র জগতের মূল কারণ। আপনি সত্ত্বাদি গুণময়ী হলেও রাগদ্বেষাদি দোষযুক্ত মানুষ আপনাকে জানতে পারে না। আপনি বিষ্ণু, শিব প্রমুখ দেবগণেরও অজ্ঞাত। ব্রহ্মা থেকে কীট পর্যন্ত এই অখিল বিশ্ব আপনার অংশভূত, কারণ আপনিই সকলের আশ্রয়স্বরূপা। আপনি ষড়বিকার-রহিতা পরমা আদ্যা প্রকৃতি।

-শ্রীশ্রীচণ্ডী, ৪।৭

=====================

Saturday, January 24, 2026

18>কামাড় পুকুর--to--> 7.3km জয়রামবাটি

 কামাড় পুকুর--to--> 7.3km জয়রামবাটি

---to-->6.7 km কোয়ালপাড়া--

 -to--->4.9 km কোতলপুর।

কোতল পুর to জয়রামবাটি 12km.


জয়রামবাটি পিন কোড:-722161


কোয়ালপাড়া আশ্রম যাকে সকলে বলতেন মা সারদার বৈঠক খানা জয়রামবাটি থেকে ৬ কিলো মিটার দূরে । মা যখন বিষ্ণুপুর হয়ে ট্রেনে কলকাতা যেতেন তখন যাওয়ার পথে এই কোয়ালপাড়া এসে থাকতেন । 

সুন্দর শান্তির নীড় এই কোয়ালপাড়া যোগাশ্রম । এখানে খুব বেশি ভক্তের ভিড় নেই।

আমরাএখানে  প্রসাদ পেয়েছিলাম । এখানে মাকে মৎসোভোগ দেওয়া হয় । আজকের মেনু ভাত, ডাল, আলুসিদ্ধ, আলু ভাজা, পাঁচ মিশালী তরকারি, মাছের মাথা দিয়ে বাঁধাকপি, আলু পোস্ত ও মাছের ঝোল ।

 মনে হলো যেন মায়ের হাতের বাড়ির রান্না খেলাম ।


==============

কোতুলপুর  সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক

পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর মহকুমার উন্নয়ন ব্লক,একটি প্রশাসনিক বিভাগ।

পিন কোড:--722141.


★★কোতুলপুরে

★ভাগলপুর গ্রামে কৃষ্ণ রায় জিউ মন্দির।


★কোতলপুরের গুরুত্বপূর্ণ নদী হল "আমোদর" ( দামোদর নয়)। এটি কনুচিয়াকল নামক স্থানের একটি ঝরনা থেকে উদ্ভূত। এই নদী কৃষিকাজ এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে। এটি প্রায় দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে। নদীটির কিছু ঐতিহাসিক গুরুত্বও রয়েছে। গড় মান্দারণ (কাছাকাছি একটি স্থান, বর্তমানে হুগলি জেলায় অবস্থিত এবং তখনকার রাজ্যের রাজধানী) এই নদী দ্বারা বেষ্টিত। মুঘল যুগে একটি যুদ্ধে কোটলু খান পরাজিত হন এই এলাকার ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে। এই কোটলু খানের নামেই কোতুলপুরের নামকরণ করা হয়েছে।


প্রায় সপ্তম শতাব্দী থেকে ব্রিটিশ শাসনের সূচনা পর্যন্ত, প্রায় এক হাজার বছর ধরে বাঁকুড়া জেলার ইতিহাস বিষ্ণুপুরের হিন্দু রাজাদের উত্থান ও পতনের সঙ্গে সম্পর্কিত। ১৭শ শতকের শেষের দিকে বিষ্ণুপুর রাজারা শিখরে পৌঁছালেও, ১৮শ শতকের প্রথমার্ধে তাদের পতন শুরু হয়। প্রথমে বর্ধমানের মহারাজা ফতেপুর মহল দখল করেন এবং পরবর্তীতে মারাঠাদের আক্রমণে এলাকা ধ্বংস হয়ে যায়।


১৭৬০ সালে বিষ্ণুপুরকে বর্ধমান চাকলার সঙ্গে ব্রিটিশদের কাছে সমর্পণ করা হয়। ১৭৮৭ সালে বিষ্ণুপুরকে বীরভূমের সঙ্গে যুক্ত করে একটি পৃথক প্রশাসনিক ইউনিট গঠন করা হয়। ১৭৯৩ সালে এটি বর্ধমান কালেক্টরেটে স্থানান্তরিত হয়। ১৮৭৯ সালে, বর্তমান জেলার আকার গঠিত হয় যখন খাতড়া এবং রাইপুর থানা এবং সিমলাপাল পোস্ট মানভূম থেকে বাঁকুড়ায় যুক্ত হয়। একইসঙ্গে সোনামুখী, কোতুলপুর এবং ইন্দাস থানাগুলি বর্ধমান থেকে বাঁকুড়ায় স্থানান্তরিত হয়। তবে এটি কিছু সময়ের জন্য পশ্চিম বর্ধমান নামে পরিচিত ছিল এবং ১৮৮১ সালে বাঁকুড়া জেলা নামে পরিচিতি পায়।


দর্শনীয় স্থান

★জয়রামবাটি - শ্রীরামকৃষ্ণের স্ত্রী সারদা দেবীর জন্য বিখ্যাত।

শ্রী শ্রী লক্ষ্মীনারায়ণ জিউ মন্দির, হরিহর জিউ মন্দির, শ্রী গণেশ জিউ মন্দির, শ্রী ভৈরব ঠাকুর জিউ মন্দির: এই মন্দিরগুলি ১৯০৭ সালের আশেপাশে প্রয়াত ক্ষেত্রমোহন রক্ষিতের উদ্যোগে নির্মিত হয় এবং বর্তমানে এগুলি শতাধিক বছরের পুরনো। প্রতিবছর এখানে ৩ দিনের ঝুলন যাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় মানুষজন এই উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। এই মন্দিরগুলি কোতুলপুরের রক্ষিতপাড়ায় অবস্থিত।


★কোয়ালপাড়া - সারদা দেবীর আরেকটি বাড়ি দেখার জন্য পর্যটকেরা ঘুরে বেড়ান। এখানে তিনি ব্রিটিশ শাসকদের বিরুদ্ধে স্বদেশী আন্দোলনকে উৎসাহিত করতেন।

সিহার - এখানে ২৬৭ বছরের পুরানো ডাঃ গুণময় মুখার্জীর পরিবারের শ্রী শ্রী রঘুনাথের একটি পঞ্চরত্ন মন্দির এবং ১৫০ বছরের পুরানো শ্রী শ্রী দূর্গা মন্দির, শ্রী শ্রী শান্তিনাথ মন্দির (মন্দিরের শিল্প জৈন যুগের), শ্রী শ্রী রতন্তী কালিকা মন্দির (শ্রীশ্রী রটন্তী কালিকা মন্দির) রয়েছে। শিবানন্দ সরস্বতী, শ্রী শ্যামানন্দ সরস্বতী) এবং শ্রী সারদা মঠ গ্রামকে দর্শনীয় পরিণত করেছে।

★কোতুলপুর - কোতুলপুর শ্রীধর মন্দির


======================